• জাতীয়
  • উপজাতি পোশাক দেশে বিদেশে কদর

উপজাতি পোশাক দেশে বিদেশে কদর

জাতীয় ১ মিনিট পড়া
উপজাতি পোশাক দেশে বিদেশে কদর

দেবদত্ত মুৎসুদ্দী রাঙ্গামাটি

পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমা, মারমা,ত্রিপুরা, জনগুষ্ঠীর মহিলারা আধুনিক প্রযুক্তির বদলে এখনও নিজেদের পোশাক তৈরী করার জন্য পাহাড়ের বাঁশ ও কাঠের নিজস্ব প্রযুক্তি ব্যবহার করেন। একসময় পাহাড়ি এলাকায় উৎপাদিত শিমুল গাছের তুলা থেকে চরকার সাহায্যে সুতা তৈরি করে, রিনাই-রিনা, পিনন - খাদি, থামি তৈরির কাজ করা হতো। কিন্তু বর্তমানে পাহাড়ে শিমুল তুলার উৎপাদন কমে যাওয়ায় এবং তুলা থেকে সুতা, সুতা পরে রং, রোদে শুকানো চরকার মাধ্যমে গুরিয়ে গুরিয়ে সনাতন পদ্ধতিতে সুতা তৈরি করা অনেক সময় সাপেক্ষ হওয়ায় বাজার থেকে সুতা কিনেই কাপড় বুনতে হচ্ছে।

বনরুপা বাজারে বিক্রি করতে আসা পরানি মা জানান, ঘর সংসার কাজ, সবজি চাষের ফাঁকে কোমর তাঁতে পিনন, খাদি , শীতের মাবলার, চাদর তৈরি করে স্থানীয় বাজারের বিভিন্ন ট্রেক্রাসটাইল সো রুম, কাপড়ের দোকানে সরবরাহ করেন। তাতে সংসারের চাহিদা মেটাতে সহজ হয় । আরেক বিক্রেতা চিচিকো মা বলেন, পিনন, খাদি থামির চাহিদা পুরো বছর থাকলেও পহেলা বৈশাখ, সাংগ্রাই, বিসু, বিহু, বৈসাবি আসলে চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তখন আমাদের লাভ বেশি হয়।

ক্রয় করতে আসা সুমনো ত্রিপুরা জানান, ঢাকা মিরপুর দোকানের জন্য পাহড়ি পোশাক কিনতে এসেছি, বনরুপা বাজারে সপ্তাহে শনিবার ও বুধবারে বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতা, কিক্রিতা, পাইকারদাররা ব্যবসা করতে আসে এ বনরুপা বাজারে, মোটামুটি ৩ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১৫ হাজার টাকার চাইতে ও বেশি দামের পোশাক পাওয়া যায়, তিনি আরো বলেন পোশাকের চাহিদা সবসময়ই থাকে। তবে পাহাড়ি ঐতিহ্য ধরে রাখতে সবাই ধর্মীয়, সামাজিক, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এই পোশাক বেশি পড়েন। এ পোশাক দেশে বিদেশে কদর অনেক।এ পোশাক পাশের দেশ ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে, পাহাড়ি অঞ্চলে যায়।

Tags: উপজাতি পোশাক দেশে বিদেশে কদর