দুর্ঘটনার বিবরণ ও প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপ
বগুড়ার শেরপুরে ঢাকা থেকে রংপুরগামী একটি যাত্রীবাহী মাইক্রোবাস ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়লে একই পরিবারের চারজন নিহত হন। তবে সেই ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে অলৌকিকভাবে বেঁচে ফেরে এক শিশু। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শিশুটির সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা
আহত শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং বগুড়ার জেলা প্রশাসক এবং শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের সঙ্গে কথা বলে শিশুটির শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন। তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন শিশুটির চিকিৎসায় কোনো ত্রুটি না থাকে এবং চিকিৎসার যাবতীয় ব্যয়ভার সরকারের পক্ষ থেকে বহন করা হবে বলে জানিয়েছেন।
পরিবারের শোকাবহ পরিণতি
নিহতরা ঢাকা থেকে ঈদ পালনের উদ্দেশ্যে মাইক্রোবাসযোগে রংপুরের কাউনিয়ায় নিজ বাড়িতে যাচ্ছিলেন। পথে শেরপুর এলাকায় মাইক্রোবাসটি নিয়ন্ত্রণ হারালে ঘটনাস্থলেই একজন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর শিশুটির বাবা-মাসহ আরও তিনজন মারা যান। বগুড়া জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, নিহতদের মরদেহ ইতিমধ্যেই রংপুরের কাউনিয়ায় পাঠানো হয়েছে এবং সেখানেই তাদের দাফন সম্পন্ন হবে।
নির্দেশনা ও শোক
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্ঘটনার শিকার অন্য আহতদেরও সর্বোচ্চ চিকিৎসা প্রদানের জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি।