খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) দুই থানার ছয় কর্মকর্তাকে তাদের বর্তমান কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। প্রশাসনিক শৃঙ্খলা রক্ষা এবং পেশাদারিত্ব বজায় রাখার স্বার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
প্রত্যাহারকৃত কর্মকর্তাদের তালিকা প্রত্যাহার হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে লবনচরা থানার চারজন এবং দৌলতপুর থানার দুইজন রয়েছেন। তারা হলেন—লবনচরা ফাঁড়ির এসআই মো. মিজানুর রহমান, এএসআই এমএম জাহাঙ্গীর হোসেন, পুলিশ কনস্টেবল উৎপল হাওলাদার এবং লবনচরা থানার এএসআই খালিদ হাসান। এ ছাড়া দৌলতপুর থানার এসআই মো. আব্দুল হালিম ও এএসআই মো. জাহাঙ্গীর হোসেনকে একইভাবে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা বুধবার (১৮ মার্চ) খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জাহিদুল হাসানের এক আদেশে এই কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। লবনচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তুহিনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তাদের বয়রা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।
কেএমপির উপ-কমিশনার (উত্তর) সুদর্শন কুমার রায় গণমাধ্যমকে জানান, প্রশাসনিক কারণে তাদের পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে বিভাগীয় তদন্ত চলমান রয়েছে।
অনৈতিক লেনদেনের গুঞ্জন প্রত্যাহার আদেশে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ না করা হলেও পুলিশের একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বকশিশের নামে অর্থ আদায় এবং বিভিন্ন অনৈতিক লেনদেনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পরই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এই কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।