গাজীপুর সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুদীপ বসাক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন। তাঁর এই পদোন্নতিকে পেশাগত দক্ষতা, সততা ও দায়িত্বনিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে অবকাঠামো উন্নয়নসহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন সুদীপ বসাক। তাঁর তত্ত্বাবধানে বেশ কয়েকটি উন্নয়নমূলক কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, যা নগরবাসীর কাছে প্রশংসিত হয়েছে। পদোন্নতি পাওয়ার পর অনুভূতি জানাতে গিয়ে সুদীপ বসাক বলেন, কৃতজ্ঞতা সৃষ্টিকর্তার প্রতি। কৃতজ্ঞতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্থানীয় সরকার বিভাগ, সকল শুভানুধ্যায়ী, সিনিয়র স্যার এবং মাননীয় প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার মহোদয়ের প্রতি। তিনি আরও বলেন, এ দায়িত্ব আমার জন্য গর্বের, একই সঙ্গে বড় চ্যালেঞ্জও। নিজের এই অর্জনে পদোন্নতির অনুভূতি ব্যক্ত করে সুদীপ বসাক আরও বলেন, এই অর্জনে সকল শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা জানাই। সবার কাছে দোয়া ও আশীর্বাদ কামনা করছি যেন আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারি। তিনি জানান, চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা, নগর অবকাঠামোর মানোন্নয়ন এবং নাগরিক সেবার গুণগত মান বাড়াতে তিনি অগ্রাধিকার দেবেন। প্রকাশ থাকে যে, ২০০৬ সালের ৯ জুলাই চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে যান্ত্রিক শাখায় উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে যোগদান করেন। এরপর ২০০৯ সালের ২৬ নভেম্বর সুদীপ বসাকের চাকরি নিয়মিত করা হয়। পরবর্তীতে সততা ও কাজের কর্মদক্ষতায় ধাপে ধাপে উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদ থেকে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি লাভ করেন। ২০০৬ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের দীর্ঘ কর্মজীবনে সততা, দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে সরকারি দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তিনি চাকুরি ক্ষেত্রে অনেক সুনাম অর্জন করেছেন। এরপর প্রশাসনিক প্রয়োজনে ২০২২ সালের ২৩ মার্চ গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের যান্ত্রিক বিভাগে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করেন সুদীপ বসাক। পরবর্তী সততা ও কাজের দক্ষতায় পানি ও বিদ্যুৎ বিভাগের দায়িত পালন করেন তিনি। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে প্রায় সাড়ে তিন বছরের কর্মজীবনের মধ্যে যান্ত্রিক, পানি ও বিদ্যুৎ বিভাগে যে কঠোরতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হয়েছে তা চিরস্মরনীয় হয়ে থাকবে। তিনি প্রতিটি কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে যতœবান এবং অফিসের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
সহকর্মী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, সুদীপ বসাক তাঁর পেশাগত জীবনে স্বচ্ছতা বজায় রেখে কাজ করেছেন, ভবিষ্যতেও করবেন। তিনি সবসময় নীতিমালা মেনে চলেছেন এবং সহকর্মীদের আস্থার জায়গায় রয়েছেন। সুদীপ বসাক নিতান্তই দায়িত্বশীল ও একজন সৎ ব্যক্তি। তিনি সবসময় অফিস ও জনগনের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন এবং কাজের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেননি। এমন কর্মকর্তা আমাদের দপ্তরের জন্য সম্পদস্বরূপ। তার বিভাগের প্রতিটি পর্যায়ে তিনি সরকারি বিধিমালার সর্বোচ্চ প্রয়োগ নিশ্চিত করেছেন, যেখানে স্বজনপ্রীতি, নিম্নমানের কাজ কিংবা ঘুষ বাণিজ্যের কোনো সুযোগ ছিল না। তার ২০ বছরের দীর্ঘ চাকুরী জীবনে তিনি কখনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। এই কর্মকর্তা কর্মজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সততা ও নিষ্ঠার স্বাক্ষর রেখেছেন। সুধীজনরা মনে করেন, এমন একজন কর্মকর্তাকে কাজের স্বীকৃতি দেওয়া উচিত, যারা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে জনগনের সেবা করে যাচ্ছেন। নতুন এই দায়িত্বপ্রাপ্তির মাধ্যমে তাঁর পেশাগত জীবনের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।