সংবিধান কি মনে করিয়ে দেয় এটা একাত্তরের পরাজয়ের দলিল?”
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মুলতবি প্রস্তাবের (বিধি-৬২) ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
পার্থ বলেন, “জুলাই নিয়ে আমাদের কোনও সমস্যা নেই, আমাদের সমস্যা হচ্ছে প্রক্রিয়া নিয়ে। আপনারা যদি সংবিধান ছিঁড়ে ফেলে নতুন করে বানাতে চাইতেন, তবে সেই সময় রেভল্যুশনারি (বিপ্লবী) বা ট্রানজিশনাল সরকার করলেন না কেন? একটি সাধারণ সরকারে থেকে, পুরোনো সংবিধানে থেকে আপনারা সংবিধান বাতিল করতে চাচ্ছেন— এটা আসলে হয় না।”
সংবিধানকে মুক্তিযুদ্ধের দলিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সংবিধান ছুড়ে ফেলব কেন? এতে এত গাত্রদাহ কেন? আমরা চাইলে তো পরিবর্তন বা সংশোধন করতে পারি। এর জন্য ছুড়ে ফেলার তো দরকার নেই।”
জামায়াতের দ্বিমুখী নীতির সমালোচনা করে এই সংসদ সদস্য বলেন, “সারাজীবন ভারতের বিরুদ্ধে রাজনীতি করে এখন তাদের সঙ্গে মিটিং করছেন। আবার সারাজীবন ইসলামের নামে রাজনীতি করে ভোটের জন্য শেষে এসে বলছেন— আমরা শরিয়া আইন চাই না। প্রবলেম কী? আমার কথাগুলো একটু ম্যানুভার করেন। আপনারা পজিটিভ পলিটিক্স নিয়ে আসেন।”
পার্থ বলেন, “কেউ কথা বললেই তাকে জুলাইয়ের বিরুদ্ধে দাঁড় করানোর একটা পাঁয়তারা দেখতে পাচ্ছি। এটা আমাকে আওয়ামী লীগ সরকারের কথা মনে করিয়ে দেয়। তখন আমরা তেলের দাম নিয়ে কথা বললেও বলা হতো— ওরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায় না। এখন আমি সেই একই আচরণ দেখতে পাচ্ছি।”