খান ইউনিসের তাঁবুতে হামলা হামাস পরিচালিত গাজার সিভিল ডিফেন্স বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণের খান ইউনিসে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের আশ্রয় নেওয়া তাঁবুতেও হামলা চালায়। সেখানে হেলিকপ্টার থেকে গুলিবর্ষণের ঘটনাও ঘটেছে।
যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় পর্যায় ফিলিস্তিনিরা এই হামলাকে যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় পর্যায় শুরুর পর সবচেয়ে জোরালো হামলা হিসেবে দেখছে। গত অক্টোবর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ কার্যকর হয়েছিল এবং চলতি বছরের শুরুতে দ্বিতীয় ধাপ শুরু হয়।
ইসরায়েলের দাবি: হামাস যুদ্ধবিরতি ভেঙেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী তাদের হামলার কথা স্বীকার করেছে। তাদের দাবি, আগের দিন হামাস যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ করায় প্রতিশোধ হিসেবে এসব হামলা চালানো হয়েছে। এর আগে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন নিয়ে দুপক্ষই একে অপরকে দোষারোপ করে আসছে। ইসরায়েলের পক্ষ থেকে বলা হয়, পূর্ব রাফায় ভূগর্ভস্থ অবকাঠামো থেকে কয়েকজন সশস্ত্র ব্যক্তিকে বের হতে দেখা যাওয়ার পর বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়। এসব হামলায় অস্ত্রের গুদাম, উৎপাদন কেন্দ্র ও হামাসের কয়েকটি স্থাপনা লক্ষ্য করা হয়েছে।
হামাসের প্রতিক্রিয়া হামাস এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। সংগঠনটি বলেছে, এই হামলা প্রমাণ করে গাজায় কার্যকর কোনো যুদ্ধবিরতি নেই। এদিকে গাজা নগরীর শিফা হাসপাতাল নিশ্চিত করেছে যে, একটি আবাসিক ভবনে ইসরায়েলি হামলায় তিন শিশু ও দুই নারী নিহত হয়েছেন।