সুরভীর দীর্ঘ পথচলা ও কার্যক্রম
১৯৭৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি মাত্র একজন ছাত্রীকে নিয়ে ছিন্নমূল শিশুদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে সুরভীর যাত্রা শুরু হয়। সমাজের অবহেলিত শিশুদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট সমাজসেবী সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেন। বিএনপি'র চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শাশুড়ি হিসেবেও তিনি পরিচিত।
ছোট পরিসরে শুরু হলেও বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি মহিরুহে পরিণত হয়েছে। এটি ছিন্নমূল, অসহায়, শ্রমজীবী শিশু-কিশোর-কিশোরী এবং দুস্থ নারীদের নিয়ে নিরলস কাজ করে চলেছে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জেলায় সুরভী পরিচালিত আনুষ্ঠানিক ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কর্মসূচিতে লক্ষাধিক শিশু, নারী ও পুরুষ লেখাপড়া করছে। শিক্ষার পাশাপাশি বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ, প্রাথমিক স্বাস্থ্য শিক্ষা ও সেবা, সামাজিক সচেতনতা এবং আয় বৃদ্ধিমূলক কর্মসূচির মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন ও অধিকার রক্ষায় সুরভী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
অনুষ্ঠানে অতিথিদের উপস্থিতি ও ক্রেস্ট প্রদান
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি শিশু-কিশোরদের অনুপ্রেরণা দেন এবং কঠোর পরিশ্রম করে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য উপদেশ দেন। অনুষ্ঠানে দুজন শিক্ষার্থীকে সব বিষয়ে দক্ষতা, পারদর্শিতা ও অতুলনীয় যোগ্যতার জন্য সর্বোচ্চ স্বীকৃতিস্বরূপ ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এয়ার কমোডর সৈয়দ শফিউজ্জামান, সৈয়দা শাহিনা জামান খান, বিশিষ্ট কার্ডিওলজিস্ট ডা. জুবাইদা রহমান, ব্যারিস্টার জায়মা রহমান এবং স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষিকা ও কর্মচারীরা। এছাড়া সুরভীর বহু প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী— যাঁদের মধ্যে কেউ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, প্রকৌশলী, প্রফেসর কিংবা অন্যান্য কর্মে বা সমাজে প্রতিষ্ঠিত— তারাও অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠান
অনুষ্ঠানের শেষে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।