• রাজনীতি
  • রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে বিতর্কের আহ্বান জামায়াত আমিরের, আয়োজনে আগ্রহী ডাকসু

রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে বিতর্কের আহ্বান জামায়াত আমিরের, আয়োজনে আগ্রহী ডাকসু

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দেশের মানুষের সেবায় গঠনমূলক বিতর্কে অংশগ্রহণের প্রস্তাব দিয়েছেন। তার আহ্বানকে স্বাগত জানিয়ে বিতর্কের মঞ্চ তৈরি করতে ডাকসু আগ্রহ দেখিয়েছে।

রাজনীতি ১ মিনিট পড়া
রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে বিতর্কের আহ্বান জামায়াত আমিরের, আয়োজনে আগ্রহী ডাকসু

রাজনীতিতে সহিংসতা বর্জন করে সৃজনশীল ও বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিযোগিতার সংস্কৃতি গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দেশের মানুষের সেবায় নতুন ধারণা নিয়ে গঠনমূলক বিতর্কে অংশ নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। তার এই আহ্বানকে স্বাগত জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) বিতর্কটি আয়োজনে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

রাজনীতিতে ভাবনার লড়াইয়ের প্রস্তাব

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বিবৃতিতে এই প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, “আমি আমার প্রতিপক্ষদের স্বাগত জানাই। আসুন, আমরা ভাবনার লড়াইয়ে প্রতিযোগিতা করি- কে এই দেশের মানুষকে আরও ভালোভাবে সেবা দিতে পারে, তা দেখার জন্য। আসুন, নীতিমালা নিয়ে বিতর্ক করি, মানুষের কথা শুনি এবং বাংলাদেশের মানুষের জন্য সর্বোত্তম নীতিমালা প্রণয়ন করি।”

সহিংসতা বর্জনের বার্তা

জামায়াত আমির তার বিবৃতিতে সহিংসতা বর্জন করে সম্পৃক্ততার মাধ্যমে আলোচনা ও শোনার ভিন্ন ধারার পথ দেখানোর কথা বলেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “মানুষ অতীতেও সহিংসতা প্রত্যাখ্যান করেছে, এখনও করছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। এভাবেই বাংলাদেশ এগিয়ে যায়।”

বিতর্ক আয়োজনে ডাকসুর আগ্রহ

ডা. শফিকুর রহমানের এই পোস্টটি শেয়ার করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি আবু সাদিক কায়েম মন্তব্য করেছেন, “ডাকসু এটা (বিতর্ক) আয়োজনে আগ্রহী।” এই মন্তব্যের মাধ্যমে একটি রাজনৈতিক বিতর্কের মঞ্চ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

বিতর্কের ধরন ও অন্যান্য দলের অবস্থান

যদিও জামায়াত আমির ঠিক কোন ফরম্যাটে এই বিতর্ক আয়োজনের কথা বলেছেন, সে বিষয়ে তার পোস্টে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি। এখন পর্যন্ত অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোও এই বিতর্কের প্রস্তাব নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নির্বাচনের আগে প্রার্থীরা ভোটারদের মন জয় করতে এ ধরনের বিতর্কসভায় অংশ নিয়ে নিজেদের পলিসি উপস্থাপন করেন এবং প্রতিপক্ষের ভুল তুলে ধরেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে, যার আগে প্রার্থীরা বর্তমানে প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।

Tags: bangladesh election social media jamaat-e-islami shafiqur rahman ducsu political debate