• রাজনীতি
  • ক্ষমতায় গেলে কওমি শিক্ষা সিলেবাস পরিমার্জন ও স্নাতক পর্যন্ত নারীশিক্ষা ফ্রি করবে জামায়াত

ক্ষমতায় গেলে কওমি শিক্ষা সিলেবাস পরিমার্জন ও স্নাতক পর্যন্ত নারীশিক্ষা ফ্রি করবে জামায়াত

বুধবার বনানীর হোটেল শেরাটনে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান দলের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন, যেখানে শিক্ষার পাশাপাশি আরও ২৬টি অগ্রাধিকারের কথা বলা হয়েছে।

রাজনীতি ১ মিনিট পড়া
ক্ষমতায় গেলে কওমি শিক্ষা সিলেবাস পরিমার্জন ও স্নাতক পর্যন্ত নারীশিক্ষা ফ্রি করবে জামায়াত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঘোষিত ইশতেহারে কওমি মাদ্রাসার সিলেবাস পরিমার্জন এবং ইবতেদায়ি মাদ্রাসাগুলোকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো সরকারি করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একইসাথে দলটি স্নাতক পর্যন্ত নারীদের বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ দেওয়ারও ঘোষণা দিয়েছে।

নির্বাচনী ইশতেহারে শিক্ষাক্ষেত্রে জামায়াতের প্রতিশ্রুতি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহারে শিক্ষাক্ষেত্রে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেছে। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বনানীর হোটেল শেরাটনে দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান এই ইশতেহার ঘোষণা করেন।

কওমি ও ইবতেদায়ি মাদ্রাসার জন্য বিশেষ ঘোষণা

জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করলে কওমি শিক্ষা সিলেবাস পরিমার্জন করা হবে। একইসঙ্গে ইবতেদায়ি মাদ্রাসাগুলোকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সমমানের সরকারি প্রতিষ্ঠানে উন্নীত করারও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে ইশতেহারে।

নারীশিক্ষা ও সামাজিক সুরক্ষা

নারীশিক্ষার উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে দলটি। ইশতেহার অনুযায়ী, জামায়াত ক্ষমতায় এলে স্নাতক (গ্র্যাজুয়েশন) পর্যায় পর্যন্ত নারীরা বিনা বেতনে পড়াশোনা করতে পারবেন। এছাড়া, শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতি বন্ধ, শিক্ষায় সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং শিক্ষাক্রমের আধুনিকায়নসহ বেশ কিছু পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে।

মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য সুদমুক্ত ঋণ

শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তার লক্ষ্যে জামায়াতের ইশতেহারে বলা হয়েছে, স্নাতক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসার এক লাখ মেধাবী শিক্ষার্থীকে প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা করে সর্বোচ্চ ৫ বছরের জন্য সুদমুক্ত ঋণ দেওয়া হবে।

ইশতেহারের অন্যান্য অগ্রাধিকার

সরকার পরিচালনায় জামায়াতের পক্ষ থেকে মোট ২৬টি অগ্রাধিকার এই ইশতেহারে তুলে ধরা হয়েছে। এর প্রথম ভাগে জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী একটি বৈষম্যহীন, শক্তিশালী ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার রয়েছে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ভাগে আত্মনির্ভর পররাষ্ট্রনীতি, শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সংস্কার, টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ব্যাপকভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং যুবকদের নেতৃত্বে প্রযুক্তি বিপ্লবের রূপরেখাও ইশতেহারের অন্তর্ভুক্ত।

Tags: jamaat-e-islami election manifesto kawmi-education syllabus-reform womens-education