অভিযোগ নাকচ করে রাউলিংয়ের বার্তা মার্কিন গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেল এক্স-এ (পূর্বে টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে লেখিকা লিখেছেন, “আমি বা আমার দলের কেউ কখনোই জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে দেখা করেনি, যোগাযোগ করেনি বা তাকে কোনো অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানায়নি।” এই পোস্টের মাধ্যমে তিনি তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা সরাসরি অস্বীকার করেছেন।
বিতর্কের সূত্রপাত ও নথিতে যা আছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ (ডিওজে) সম্প্রতি এপস্টেইন সংক্রান্ত বিপুল সংখ্যক নথি প্রকাশ করার পর এ আলোচনা নতুন করে শুরু হয়। প্রকাশিত নথিতে প্রিন্স অ্যান্ড্রু, বিল গেটস ও ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ বহু প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম এসেছে। জে কে রাউলিংয়ের নামও নথিতে পাওয়া গেলেও, সেখানে এপস্টেইনের সঙ্গে তার কোনো সরাসরি যোগাযোগের প্রমাণ নেই।
রাউলিংয়ের সঙ্গে যোগাযোগের প্রচেষ্টা নথি বিশ্লেষণ করে জানা যায়, ২০১৬ সালের মে মাসে এক অজ্ঞাত ব্যক্তি (যার পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে) এপস্টেইনকে ই-মেইল করে রাউলিংয়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। তবে এ বিষয়ে কোনো অগ্রগতি বা যোগাযোগের প্রমাণ নথিতে মেলেনি।
‘কার্সড চাইল্ড’ প্রিমিয়ারে উপস্থিতির চেষ্টা নথি থেকে আরও জানা যায়, ২০১৮ সালের এপ্রিলে ব্রডওয়েতে ‘হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য কার্সড চাইল্ড’-এর প্রিমিয়ারে এপস্টেইন উপস্থিত থাকতে চেয়েছিলেন। উদ্বোধনের দুই দিন আগে তার জনসংযোগ প্রতিনিধি থিয়েটার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করে একজন ‘খুব গুরুত্বপূর্ণ বন্ধু’-এর জন্য টিকিট বা প্রবেশের অনুরোধ জানান। তবে এই প্রচেষ্টার সঙ্গেও জে কে রাউলিংয়ের সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ নথিতে নেই।
চূড়ান্ত বিশ্লেষণ প্রকাশিত নথিপত্র ও যাচাইকৃত তথ্য বিশ্লেষণে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে—জে.কে. রাউলিং ও জেফ্রি এপস্টেইনের মধ্যে কোনো ধরনের সম্পর্ক, যোগাযোগ কিংবা সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ নেই। ফলে ছড়িয়ে পড়া অভিযোগের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই বলেই সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।