বিশাল স্কোর গড়ে ভারত হারারে ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন ভারতীয় অধিনায়ক আয়ুস মাত্রে। ওপেনার অ্যারন জর্জ মাত্র ৯ রানে আউট হলেও, দ্বিতীয় উইকেটে নেমেই অধিনায়ক মাত্রেকে নিয়ে ক্রিজে ব্যাটিং তাণ্ডব চালান ওপেনার বৈভব সূর্যবংশী। ৯০ বলে তারা গড়েন ১৪০ রানের দুর্দান্ত জুটি। মাত্রে ৫৩ রানে থামলেও, এরপর ভেদেন্ত ক্রিভেদীকে নিয়ে ৩৯ বলে ৮৯ রানের আরও একটি বিধ্বংসী জুটি গড়েন বৈভব। এতে মাত্র ২৫ ওভারেই ২৫০ রানের সংগ্রহ পেয়ে যায় ভারত।
বৈভব সূর্যবংশীর রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরি মাত্র ৫৫ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করে যুব বিশ্বকাপের ফাইনালে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন বৈভব। তার ইনিংস থামে ১৭৫ রানে। মাত্র ৮০ বলে খেলা তার এই ইনিংসে ছিল ১৫টি করে চার ও ছয়ের মার। এরপর ভেদেন্ত ৩২, ভিয়ান ৩০, অভিজ্ঞান ৪০, এব্রিস ১৮, চৌহান ৩৭, খিলান ৩, হেনিল ৫ ও দীপেশ ০ রান করেন। ইংল্যান্ডের পক্ষে জেমস মিন্টো সর্বোচ্চ তিনটি এবং সেবিস্টেইন মরগান ও অ্যালেক্স গ্রিন দুটি করে উইকেট লাভ করেন। একটি উইকেট পান ম্যানি লুমসডেন।
ইংল্যান্ডের লড়াই, কিন্তু পরাজয় ৪১২ রানের বিশাল টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দ্রুত রান তাড়ার দিকে মন দেয় ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা। তাদের রানের গতি ঠিক থাকলেও, উইকেট পতনের ধারা থামাতে পারেনি ইংলিশরা। এতে ক্রমান্বয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যেতে থাকে তারা এবং একপর্যায়ে অসহায় আত্মসমর্পণ করে মাঠ ছাড়ে। ইংল্যান্ডের পক্ষে সেঞ্চুরির দেখা পান ক্যালেব ফেলকোনের, যিনি মাত্র ৭০ বলে করেন ১২০ রান। ওপেনার বেন ডাওকিনস ৫৬ বলে ৬৬ রান করে ফিফটির দেখা পান। এছাড়া বেন মেয়ার্স ৪৫, থমাস রে ৩১ ও জেমস মিন্টো ২৮ রান করেন। বাকি ব্যাটাররা বিশের কোটা স্পর্শ করতে পারেননি।
ভারতীয় বোলারদের দাপট ভারতের সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন আরএস এব্রিস। তিনি তিনটি উইকেট লাভ করেন। দীপেশ ও চৌহান নেন দুটি করে উইকেট। এছাড়া অন্য দুই বোলার একটি করে উইকেটের দেখা পান। ফলস্বরূপ, ইংল্যান্ড দল ৩১১ রানে অলআউট হয়ে যায় এবং ভারত শিরোপা পুনরুদ্ধার করে।