অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে এবার বাধা শক্তিশালী ভারত। নেপালের পোখারা রঙশালা স্টেডিয়ামে শনিবার (ফেব্রুয়ারি) দুপুরের ট্রফি জয়ের ম্যাচের আগে দৃঢ় প্রত্যয়ী মনে হলো বাংলাদেশের কোচকে। ভারতের কৌশলকে পরাস্ত করে জয়োৎসব করার অপেক্ষায় সবাই।
রাউন্ড রবিন লিগে এর আগে ভারতকে ২-০ গোলে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। তাই আত্মবিশ্বাসটা যেন একটু বেশি। তারপরও সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের কোচ পিটার বাটলার প্রতিপক্ষকে সমীহ করে বলেন, ‘আমার একটা মোটামুটি ধারণা আছে, তারা (ভারত) আসলে কীভাবে খেলবে, সে ইঙ্গিতটা পেয়েছি। আমি বলতে চাইছি, তাদের কিছু ভালো খেলোয়াড় আছে, এতে কোনও সন্দেহ নেই। আমাদের সেরা মানে এবং সতেজ থাকতে হবে এবং বাস্তবিক অর্থে খেলার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। যে ম্যাচ চলে গেছে, তা চলে গেছে। আমাদের এটিকে পেছনে ফেলতে হবে; এগিয়ে যেতে হবে এবং নিশ্চিত করতে হবে যে আমরা ইতিবাচক মানসিকতার সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছি।’
এবারও ভারতকে হারানোর প্রত্যয় কোচের কণ্ঠে, ‘আমরা অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী নই, আমরা অনেক ভিডিও বিশ্লেষণ করেছি। তিনটি ম্যাচ খেলেছি, চোট পেয়েছি, চোট কাটিয়ে মেয়েরা ফিরে এসেছে। গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, আবার ভারতের সঙ্গে খেলা, আরও গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, আবার তাদের হারাতে হবে।’
এশিয়ান কাপের জন্য খেলোয়াড় খুঁজছেন বাটলার। ঋতুপর্ণাদের সঙ্গে পোখারা থেকে আরও কিছু খেলোয়াড় যোগ করার ইচ্ছে তার। তিনি বলেন, ‘নেপালের বিপক্ষে ম্যাচে আমি সাত-আটটি পরিবর্তন করেছিলাম। এরপর মেয়েদের বিশ্রাম দিয়েছি। এটি একটি স্কোয়াড দাঁড় করানোর প্রচেষ্টা। আমার মনে হয়, আগামীকাল থেকে এগিয়ে যেতে হবে আমাদের। ফাইনাল ম্যাচটি আমাদের একটি দুর্দান্ত ইঙ্গিত দেবে—আসলে কোন খেলোয়াড়দের পাওয়া যাবে এবং কারা প্রস্তুত এশিয়ান কাপে যাওয়ার জন্য।’
পোখারার মাঠ নিয়ে আবারও অসন্তুষ্টির কথা বললেন ইংলিশ কোচ। তিনি বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত আমরা যতটা সম্ভব অনুশীলন সীমিত রাখার চেষ্টা করেছি মাঠের কন্ডিশনের কারণে। আমি জানি, অন্য দেশগুলোও মাঠ নিয়ে তাদের উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। যাই হোক, আমরা বেশ কিছু চোট পেয়েছি। আমার প্রথম এবং মূল লক্ষ্য হলো ফিট খেলোয়াড়দের একটি দলকে মাঠে নামানো।’