অদম্য টি-টোয়েন্টি কাপে সোহান-ঝড়
বিশ্বকাপের বিকল্প হিসেবে আয়োজিত অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপ টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে দুরন্তের বিপক্ষে সহজ জয় পেয়েছিল লিটন দাস ও সাইফ হাসানের ধূমকেতু। সে ম্যাচে ফিফটি করেছিলেন এই দুই তারকা। তবে জাতীয় দলের আশপাশে থাকা ক্রিকেটারদের নিয়ে গড়া দুর্বার দলের বিপক্ষে শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) তাঁদের কেউই সফল হতে পারেননি। ফলে একাই লিটনদের দলকে হারিয়ে দিলেন নুরুল হাসান সোহান। তাঁর অসাধারণ ৭৬ রানের ইনিংসে ২ উইকেটে জয় তুলে নেয় নাজমুল হোসেন শান্তর দুর্বার।
বিপদে ত্রাতা সোহান
১৫৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন দুর্বার দল নিয়মিত বিরতিতেই উইকেট হারাতে থাকে। এক পর্যায়ে ৪৬ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারিয়ে বড় বিপদে পড়ে যায় দলটি। এরপর জাকের আলী অনিকও (১১) আউট হলে যখন মনে হচ্ছিল দুর্বারের ইনিংস হয়তো বেশি দূর এগোতে পারবে না, ঠিক তখনই পাঁচ নম্বরে ব্যাট করতে নামা নুরুল হাসান সোহান হাল ধরেন। তিনি দলকে নিশ্চিত পরাজয়ের মুখ থেকে টেনে তুলে ম্যাচটিকে প্রাণবন্ত করে তোলেন।
ম্যাচ জেতানো ইনিংস
সোহানের ৪৪ বলে সাজানো ৭৬ রানের ইনিংসটি দুর্বারের জয়ের মূল ভিত্তি। ৪টি চার ও ৬টি ছক্কায় সাজানো তাঁর মারকুটে ইনিংসটির স্ট্রাইক রেট ছিল ১৭২.৭৩। শেষ পর্যন্ত ৩ বল ও ২ উইকেট হাতে রেখে দুর্বার জয় নিশ্চিত করে। ম্যাচসেরার পুরস্কার ওঠে সোহানের হাতে।
ধূমকেতুর ইনিংস
এর আগে টস জিতে দুর্বার অধিনায়ক শান্ত ধূমকেতুকে ব্যাটিংয়ে পাঠান। প্রথম ওভারেই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম রানের খাতা না খুলেই বিদায় নেন। দ্বিতীয় উইকেটে সাইফ হাসানকে নিয়ে লিটন দাস প্রতিরোধ গড়লেও সেই ৩৬ রানের জুটিটি ভয়ংকর হয়ে ওঠার আগেই সাইফউদ্দিনের বলে সাইফ হাসান ফেরেন। ধূমকেতুর হয়ে সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেন লিটন দাস (৩৭ বলে ৫টি চার)। এছাড়া ২৭ বলে ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন মেহেদী হাসান। তাঁর ইনিংসে কোনো চার না থাকলেও ছিল ২টি ছক্কা, যা ধূমকেতুর রানকে দেড়শোর ওপরে নিয়ে যেতে ভূমিকা রাখে। দুর্বারের পক্ষে হাসান মাহমুদ ও তানভীর ইসলাম দুটি করে উইকেট শিকার করেন।