হজযাত্রীদের জন্য আগাম ভিসা কার্যক্রম
গালফ নিউজের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, হজ কার্যালয়গুলোর জন্য তৈরি করা বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে সৌদি সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগাম ভিসা কার্যক্রম শুরুর মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ মূলত হজযাত্রীদের আগমনের আগেই তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সুনিশ্চিত করতে চায়। এতে বিশ্বজুড়ে হজযাত্রীদের মধ্যে এক ধরনের স্বস্তি ও ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
২০২৬ সালের হজের প্রস্তুতি
মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের হজের জন্য প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল গত ৮ জুন। সে সময় থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের হজ অফিসগুলোকে পরিকল্পনার প্রাথমিক নথি ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা পাঠানো হয়েছিল। প্রস্তুতির ধারাবাহিকতায়, হজযাত্রীদের আবাসন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য, যেমন— পবিত্র মক্কা ও মদিনার তাঁবুসহ অন্যান্য আবাসন সুবিধা, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম 'নুসুক মাসার'-এর মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়েছে। সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই আধুনিক ডিজিটাল ব্যবস্থার ফলে হজ অফিসগুলো অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের কাজ এগিয়ে নিতে পারছে।
নির্দিষ্ট সময়ে সব কাজ সম্পন্ন করার ওপর জোর
২০২৬ সালের শুরু থেকেই পবিত্র হজ পালনের প্রস্তুতি আরও জোরদার করা হয়েছে। পবিত্র মক্কা ও মদিনায় আবাসন এবং পরিবহনসহ অন্যান্য চুক্তি গত জানুয়ারির মধ্যেই শেষ করা হয়েছে। ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভিসা ইস্যু শুরু হওয়ার পর মার্চ মাসের মধ্যে ভিসার কাজ শেষ করে হজযাত্রীদের আগমনের প্রস্তুতিমূলক তথ্য জমা দেওয়া হবে।
১৮ এপ্রিল থেকে শুরু চূড়ান্ত কার্যক্রম
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী ১৮ এপ্রিল (১ জিলকদ) থেকে হজযাত্রীদের প্রথম দলটি সৌদি আরবে পৌঁছাবে। এর মাধ্যমেই হজ মৌসুমের চূড়ান্ত পর্যায়ের কার্যক্রম শুরু হবে। কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নির্ধারিত সূচি কঠোরভাবে মেনে চলার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, যাতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরিকাঠামো ও সব সেবা নিশ্চিত করা যায়।