পাশাপাশি একজনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
আজ রবিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) কমিটির চেয়ারম্যান সিনিয়র সিভিল জজ গোলাম রসুল এ সংক্রান্ত পৃথক দুটি মামলায় অভিযুক্ত সাত জনের উপস্থিতিতে শুনানি শেষে এ রায় দেন।
দণ্ডিতরা হলেন- চৌগাছার ধুলিয়ানি ইউনিয়নের মুক্তারপুর ইব্রাহিম হোসেন, শিমুল হোসেন, কবির হোসেনকে ১০ হাজার করে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। হেনস্তার অপর ঘটনায় হাকিমপুর ইউনিয়নের মাঠচাকলা গ্রামের শাহাবুদ্দীনকে ১০ হাজার টাকা, মুকুল ও মন্টু রহমানকে পাঁচ হাজার করে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১টার দিকে চৌগাছা উপজেলার ধুলিয়ানী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মুক্তারপুর গ্রামের নারীদের কাছে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট চাইতে যান জামায়াতের নারী কর্মীরা। সেখানে গেলে আইতাল হোসেন ও বাদলের বাড়ির সামনে অভিযুক্ত বিএনপি প্রার্থীর কর্মী ইব্রাহিম হোসেন, লিয়াকত আলী, শিমুল হোসেন, কবির হোসেন হামলা চালিয়ে জামায়াতের নারী কর্মীদের লাঞ্ছিত করে মোবাইল, খাতা এবং কাগজপত্র কেড়ে নেন। তাদের ওই আচরণ সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর ১৫(গ) ও ১৫ (ঘ) বিধির লঙ্ঘন। যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। রবিবার অভিযুক্তরা সশরীরে হাজির হলে ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় ইব্রাহিম হোসেন, শিমুল হোসেন, কবির হোসেনকে ১০ হাজার করে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একইসঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় লিয়াকত আলীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
অপরদিকে, চৌগাছায় উপজেলার হাকিমপুর ইউনিয়নের ৯ ওয়ার্ডের মাঠচাকলা গ্রামের নারীদের কাছে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইতে গেলে পুরাতন মসজিদ সংলগ্ন স্থানে বিএনপি প্রার্থীর কর্মী শাহাবুদ্দীন, মুকুল ও মন্টু রহমান জামায়াতের নারী কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে গালিগালাজ ও লাঞ্ছিত করে মোবাইল, খাতা, কাগজপত্র কেড়ে নেন।
তাদের এমন আচরণ সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর ১৫(গ) ও ১৫ (ঘ) বিধির লঙ্ঘন। যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হওয়ায় তাদের ৮ ফেব্রুয়ারি সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় শুনানি শেষে শাহাবুদ্দীনকে ১০ হাজার টাকা, মুকুল ও মন্টু রহমানকে পাঁচ হাজার করে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।