টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের ভারত সফর নিয়ে সৃষ্ট জটিলতায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নিজেদের অনড় অবস্থানের কথা জানিয়েছিল। এরপরই পাকিস্তান ও বাংলাদেশের বোর্ড কর্মকর্তাদের সঙ্গে আইসিসির একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকের প্রেক্ষিতেই আইসিসি বাংলাদেশের জন্য এই ইতিবাচক সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।
শাস্তি নেই বিসিবির ওপর আইসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনুপস্থিতিকে তারা একটি 'দুর্ভাগ্যজনক' ঘটনা হিসেবে দেখছে। মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার প্রেক্ষাপটে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশ তাদের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় খেলতে চেয়েছিল। আইসিসি তাতে রাজি না হওয়ায় বাংলাদেশ বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে আইসিসি জানিয়েছে, এর জন্য বিসিবিকে কোনো আর্থিক, প্রশাসনিক বা ক্রীড়া বিষয়ক শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে না।
নতুন বৈশ্বিক ইভেন্ট পাচ্ছে বাংলাদেশ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০৩১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ ভারত ও বাংলাদেশ যৌথভাবে আয়োজন করার কথা রয়েছে। তবে এর আগেই বাংলাদেশে আরও একটি আইসিসি ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। আইসিসির প্রচলিত নিয়ম ও শর্ত মেনে এই টুর্নামেন্টের সময়সূচি নির্ধারিত হবে। বাংলাদেশের বিশাল ক্রিকেট বাজার এবং সমর্থকদের কথা বিবেচনা করেই আইসিসি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আইসিসির বিশেষ অঙ্গীকার আইসিসির প্রধান নির্বাহী সনযোগ গুপ্তা জানান, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের না থাকাটা দুঃখজনক হলেও, এটি একটি প্রধান ক্রিকেট জাতি হিসেবে বাংলাদেশের প্রতি আইসিসির অঙ্গীকারে কোনো পরিবর্তন আনবে না। বাংলাদেশের ক্রিকেটের টেকসই উন্নয়ন এবং সমর্থকদের সুযোগ-সুবিধা আরও শক্তিশালী করতে আইসিসি বিসিবির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাবে। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলামও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, এই সমঝোতার ফলে দেশের ক্রিকেটের দীর্ঘমেয়াদি কোনো ক্ষতি হবে না।