নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, তিনি ইরানকে ঘিরে ইসরায়েলের অবস্থান তুলে ধরবেন। ইসরায়েল চায়, সম্ভাব্য কোনো চুক্তিতে শুধু ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ নয়, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমিত করা এবং হামাস ও হিজবুল্লাহর মতো গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন বন্ধের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত থাকুক।
অন্যদিকে ইরান বলেছে, নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে তারা পরমাণু কর্মসূচি সীমিত করতে প্রস্তুত। তবে অতিরিক্ত শর্ত মেনে নেওয়ার প্রশ্নে অনড় অবস্থান নিয়েছে তেহরান। প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান বলেন, ইরান পরমাণু অস্ত্র চায় না এবং পরমাণু কর্মসূচি প্রয়োজন কিনা,তা যাচাই করতে চায় ইরান।
এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে। ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, চুক্তি না হলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, বড় ধরনের সামরিক সংঘাত এড়াতে কূটনৈতিক সমাধানই এখনো সম্ভাব্য পথ।
এই বৈঠক এমন সময়ে হচ্ছে, যখন গাজা যুদ্ধবিরতির পরবর্তী ধাপ বাস্তবায়ন নিয়েও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে আলোচনা চলছে।