• আন্তর্জাতিক
  • লেবাননের বিভিন্ন অঞ্চলে ইসরায়েলের বিমান ও ড্রোন হামলা

লেবাননের বিভিন্ন অঞ্চলে ইসরায়েলের বিমান ও ড্রোন হামলা

যুদ্ধবিরতি চুক্তি থাকলেও লেবাননের দক্ষিণে একের পর এক আবাসিক ভবন ও অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দিচ্ছে ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ১ মিনিট পড়া
লেবাননের বিভিন্ন অঞ্চলে ইসরায়েলের বিমান ও ড্রোন হামলা

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় শনিবার একাধিক বড় ধরনের সামরিক হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। স্থানীয় মিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, বেসলায়া, হুমিন আল-তাহতা এবং দেইর আল-জাহরান এলাকায় হিজবুল্লাহর অবকাঠামো লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানো হয়। অন্যদিকে, মেইস আল-জাবাল এলাকায় একটি কোয়াডকপ্টার ড্রোন হামলা চালিয়ে একটি আবাসিক ভবন ধ্বংস করা হয়েছে।

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে আবারও বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েল। শনিবার লেবাননের বিভিন্ন কৌশলগত অবস্থান ও আবাসিক এলাকায় এই হামলা চালানো হয়।

আক্রান্ত এলাকা ও ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ লেবাননের স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলি বিমান হামলার মূল লক্ষ্য ছিল বেসলায়া, হুমিন আল-তাহতা এবং দেইর আল-জাহরান অঞ্চলের মধ্যবর্তী এলাকা। এছাড়া জাবাল আল-রিহানের উঁচু পাহাড়ি এলাকাতেও বোমা বর্ষণ করা হয়েছে। মেইস আল-জাবাল নামক স্থানে একটি ইসরায়েলি ‘কোয়াডকপ্টার’ ড্রোন ব্যবহার করে একটি আবাসিক ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। তবে এই হামলায় প্রাণহানি বা সঠিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে এখন পর্যন্ত লেবানন সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

ইসরায়েলি বাহিনীর প্রতিক্রিয়া ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ (সাবেক টুইটার) হামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছে। তাদের দাবি, তারা সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সাথে সম্পৃক্ত সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে এই নিখুঁত হামলাগুলো চালিয়েছে।

অস্ত্রবিরতি লঙ্ঘন ও ক্রমবর্ধমান হতাহত ২০২৪ সালের ২৭ নভেম্বর থেকে একটি মার্কিন মধ্যস্থতায় সাময়িক অস্ত্রবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও, বাস্তবে পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। ইসরায়েলি সেনারা দক্ষিণ ও পূর্ব লেবাননসহ বেইরুতের দক্ষিণাঞ্চলেও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রেখেছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন (ইউএনআইএফআইএল) জানিয়েছে, চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকে এ পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনী ১০ হাজারেরও বেশিবার নিয়ম লঙ্ঘন করেছে।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৩৪০ জন নিহত হয়েছেন এবং নারী ও শিশুসহ ৯৭০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

Tags: israel lebanon middle east crisis air strike hezbollah unifil