জানা যায় জি এম ফাহিম আলমগীর মণিরামপুর পৌর এলাকার জি এম আলমগীর হোসেনের ছেলে। তিনি মণিরামপুর বাজার এলাকায় অবস্থিত সোনালী ব্যাংক ভবনের তৃতীয় তলায় বসবাস করেন । স্থানীয়ভাবে তিনি ‘ক্যাফে ফাহিম’ নামে পরিচিত। তার মালিকানায় মণিরামপুর বাজারে মুনলিট ক্যাফে (Moonlit Cafe) ও গল্পকুঠি ক্যাফে নামে দুটি ক্যাফে রয়েছে।
**ওই নারীর বাড়ি কুলটিয়া ইউনিয়নের পোড়াডাংগা এলাকায়। নিন্মমধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে সে। **
ভুক্তভোগী ওই নারীর দাবি, ২০২২ সালের ১২ নভেম্বর তাদের প্রথম পরিচয় হয়। শুরুতে বন্ধুত্বের সম্পর্ক থাকলেও একপর্যায়ে তা প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়। ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ফাহিম তাকে মোহনপুর বটতলা এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতে দেন এবং সেখানে জি এম ফাহিম আলমগীরের নিয়মিত যাতায়াত ছিল। ওই ভাড়া বাসায় ফাহিম তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, ফায়ার সার্ভিস অফিস সংলগ্ন এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়েও একই ধরনের সম্পর্ক বজায় রাখা হয়। পরবর্তীতে প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে দাবি করে তিনি বিষয়টি আইনের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নেন।
খোজ খবর নিয়ে জানা যায়, ২০২৬ সালের ১৬ ই জানুয়ারি এই মেয়ে ও মেয়ের পরিবারের সদস্যরা বিয়ের দাবিতে তার (Moonlit) ক্যাফেতে এসে হামলা চালায়। এর পর জিএম ফাহিম আলমগীরের মা শারমিন নাহার বিয়ের জন্য ওই পরিবারের সদস্যদের কাছে ৩ কোটি টাকা যৌতুক হিসাবে দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বিকৃতি জানালে এর পর থেকে ওই মেয়ের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন জি এম ফাহিম আলমগীর।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে জি এম ফাহিম আলমগীর বলেন, আমি ওই মেয়েকে চিনি, সে আমার ক্যাফের একজন স্টাফ ছিল। এর বাইরে যেসব অভিযোগ আনা হচ্ছে, সেগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
উল্লেখ্য, এর আগেও জি এম ফাহিম আলমগীরকে ঘিরে বিভিন্ন অভিযোগ ও বিতর্কের তথ্য গণমাধ্যমে উঠে এসেছে, যা স্থানীয়ভাবে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।