• ক্যাম্পাস
  • গোবিপ্রবিতে প্রক্টর পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের দুপক্ষের দফায় দফায় সংঘর্ষ

গোবিপ্রবিতে প্রক্টর পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের দুপক্ষের দফায় দফায় সংঘর্ষ

নতুন প্রক্টর নিয়োগ নিয়ে উত্তপ্ত গোবিপ্রবি ক্যাম্পাস; আহত ২ নেতা হাসপাতালে ভর্তি।

ক্যাম্পাস ১ মিনিট পড়া
গোবিপ্রবিতে প্রক্টর পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের দুপক্ষের দফায় দফায় সংঘর্ষ

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) প্রক্টর পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রোববার বিকেলে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এই সংঘর্ষে ছাত্রদলের অন্তত দুই নেতা আহত হয়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ক্যাম্পাসে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক দায়িত্বে রদবদলকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছে। সংঘর্ষের ফলে ক্যাম্পাসের সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনার সূত্রপাত জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রক্টর ড. আরিফুজ্জামান রাজিবকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে এএসভিএম বিভাগের শিক্ষক ড. আহসান সৌরভকে নতুন প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে ছাত্রদলের একাংশ প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিলে অপরপক্ষের সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি শুরু হয়। বাগ্‌বিতণ্ডার এক পর্যায়ে দুই পক্ষ লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

আহত ও চিকিৎসা সংঘর্ষে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি জহিরুল ইসলাম জহির এবং প্রচার সম্পাদক নাহিদুর রহমান সাকিব গুরুতর আহত হন। আহতদের মধ্যে নাহিদুর রহমান সাকিবের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে করে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

উভয় পক্ষের বক্তব্য শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম জানান, এএসভিএম বিভাগের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে একাত্মতা জানাতে গিয়ে সহ-সভাপতি জহির একজন শিক্ষকের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন। এর প্রতিবাদ করায় জহির ও তার অনুসারীরা প্রচার সম্পাদক নাহিদের ওপর হামলা চালায়।

অন্যদিকে, সহ-সভাপতি জহিরুল ইসলাম জহির দাবি করেন, ছাত্রদল নেতা আনোয়ারের কক্ষে ঢোকার সময় ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে তাকে আক্রমণ করা হয় এবং একজন শিক্ষকও তার কলার ধরে টান দেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।

প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া ঘটনার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের ভেতরে-বাইরে দুই পক্ষ আলাদাভাবে অবস্থান নেওয়ায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দীন শেখর বলেন, “বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে। আমরা উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলছি এবং আশা করছি দ্রুতই ক্যাম্পাসের পরিবেশ স্বাভাবিক হবে।”

Tags: chhatra dal gopalganj news bsmrstu campus-clash university-proctor