শনিবার (৭ মার্চ) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেন, ইরানে আজ ভয়াবহ আঘাত হানা হবে। যুক্তরাষ্ট্র দেশটিতে ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস ও নিশ্চিত মৃত্যু’র জন্য নতুন লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ করছে।
ট্রাম্পের এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইরানের এক কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেন, ওয়াশিংটন সরাসরি ইরানি জনগণকে হত্যার এবং যুদ্ধ বিস্তারের হুমকি দিয়েছে। এ কারণে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী এখন মার্কিন নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল, সামরিক ঘাঁটি ও সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যালোচনা করছে। যেসব স্থাপনা এখনো তেহরানের হামলার তালিকায় নেই, সেগুলোকেও এখন নতুন করে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।
এদিকে, ফ্লোরিডায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, সাম্প্রতিক মার্কিন হামলায় ইরানের সামরিক সক্ষমতা ধূলিসাৎ হয়ে গেছে।
তিনি জানান, মার্কিন বাহিনী ইরানের ৪২টি নৌযান ধ্বংস করেছে। এ ছাড়া দেশটির বিমানবাহিনী ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার বড় অংশই এখন অকেজো। ট্রাম্প আরও বলেন, হামলার শুরুতে মূলত ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। তার দাবি, ওই সময় তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল।
বর্তমান অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র ‘অসাধারণ সাফল্য’ পেয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। অন্যদিকে, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, গত রাতে তেহরানে এক অভিযানে তারা আইআরজিসির কুদস ফোর্সের ১৬টি বিমান ধ্বংস করেছে। তেহরানের মেহরাবাদ বিমানবন্দরে এই হামলা চালানো হয়।
ইসরায়েলের দাবি, কুদস ফোর্স ওই বিমানবন্দরটি ব্যবহার করে লেবাননের হিজবুল্লাহসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে অস্ত্র সরবরাহ করত। তবে ইসরায়েলের এই দাবির বিষয়ে ইরান এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি এবং নিরপেক্ষ কোনো সূত্র থেকেও এর সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
সূত্র: আল জাজিরা