আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (International Crimes Tribunal) সাবেক চিফ প্রসিকিউটর ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামের পিতা মো. ফজলুল হক খানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক শোকবার্তায় দলটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এই শোক প্রকাশ করেন।
এক আলোকিত শিক্ষকের বিদায় মরহুম মো. ফজলুল হক খান কেবল একজন ব্যক্তি ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধের এক মূর্ত প্রতীক। পেশাগত জীবনে তিনি ছিলেন একজন আদর্শ শিক্ষক, যিনি কয়েক দশক ধরে সমাজ গঠনে নিরলস ভূমিকা পালন করেছেন। শোকবার্তায় এবি পার্টির নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, শিক্ষকতা পেশার মাধ্যমে তিনি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও দেশপ্রেমের বীজ বপন করে গেছেন। তাঁর এই ‘Academic Legacy’ ও সামাজিক অবদান তাকে দীর্ঘকাল স্মরণীয় করে রাখবে।
এবি পার্টির শোক ও সমবেদনা এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, “মো. ফজলুল হক খানের মৃত্যুতে আমরা একজন জ্ঞানতপস্বী ও অভিভাবককে হারালাম। তিনি ছিলেন মানবিক মূল্যবোধের ধারক এক আলোকিত মানুষ। তাঁর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।”
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং মহান আল্লাহর দরবারে তাঁর জান্নাতুল ফেরদৌস নসিবের জন্য প্রার্থনা করেন। একইসঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে তাঁদের এই অপূরণীয় ক্ষতি সইবার শক্তি কামনা করা হয়।
আইনি ও সামাজিক মহলে শোকের ছায়া অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বাংলাদেশের ‘Legal Fraternity’ বা আইনি অঙ্গনের একজন সুপরিচিত ও শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তিত্ব। তাঁর পিতার মৃত্যুতে আইনজীবী সমাজসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও শোক প্রকাশ করা হচ্ছে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মরহুমের জানাজা ও দাফন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।