ইরাকের বাবিল প্রদেশের জুরফ আল-সাখর এলাকায় অবস্থিত একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সামরিক ঘাঁটিতে বড় ধরনের বিমান হামলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার সকালে এই হামলার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
হামলার লক্ষ্যবস্তু ও ক্ষয়ক্ষতি আক্রান্ত ঘাঁটিটি ইরাকের প্রভাবশালী সশস্ত্র গোষ্ঠী পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস (পিএমএফ) ব্যবহার করে আসছিল। পুলিশ ও স্থানীয় চিকিৎসাসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, এই হামলায় অন্তত চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। তবে হামলার তীব্রতা অনুযায়ী ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
হামলার নেপথ্যে কারণ প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুরফ আল-সাখর অঞ্চলে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ক্রমবর্ধমান তৎপরতা ও প্রভাব হ্রাস করার লক্ষ্যেই এই আকাশপথের অভিযান চালানো হয়েছে। যদিও এখন পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট রাষ্ট্র বা পক্ষ এই হামলার দায় স্বীকার করেনি, তবে ওই অঞ্চলে এর আগেও বিদেশি বাহিনী বা বিশেষ কোনো পক্ষ থেকে সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান চালানো হয়েছে।
আঞ্চলিক পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যে ইরাকের অভ্যন্তরে এ ধরনের হামলা নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার তথ্যমতে, এই বিমান হামলাটি এমন এক সময়ে ঘটল যখন ইরাকের নিরাপত্তা বাহিনী এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে অভ্যন্তরীণ ও বহির্মুখী চাপের ভারসাম্য বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। হামলার পর বাবিল প্রদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।