বাংলাদেশের সমসাময়িক রাজনীতি ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এই সৌজন্য সাক্ষাতে হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন দাবি ও সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস সাক্ষাৎ শেষে পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা জানান, প্রধানমন্ত্রী হিন্দু সম্প্রদায়ের বিদ্যমান সমস্যাগুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে শুনেছেন। বিশেষ করে বিগত সময়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দায়ের করা বিভিন্ন ‘মিথ্যা মামলা’ প্রত্যাহারের দাবি জানানো হলে তিনি তা পর্যায়ক্রমে সমাধানের আশ্বাস দেন। প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন যে, প্রতিটি নাগরিকের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।
জাতীয় জীবনে প্রতিনিধিত্বের দাবি বৈঠকে সনাতন সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি উত্থাপন করা হয়। নেতারা জাতীয় জীবনের সব ক্ষেত্রে, বিশেষ করে সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ পর্যায়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার অনুরোধ জানান। তারা মনে করেন, এর ফলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় হবে।
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী পদে বিজন কান্তি সরকার এই বৈঠকের অন্যতম বড় খবর ছিল নতুন নিয়োগের ঘোষণা। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ জানিয়েছে, সাবেক সচিব ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিজন কান্তি সরকারকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এই নিয়োগকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষায় সরকারের একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বৈঠকে পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।