ফেরি চলাচল বন্ধের কারণ ও সময়কাল
বিআইডব্লিউটিসি (বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন) সূত্রে জানা গেছে, রোববার (২১ ডিসেম্বর) রাত ৯টা ৪০ মিনিট থেকে নদীপথে কুয়াশার তীব্রতা বাড়তে থাকে। এতে নদীপথের মার্কিং আলো অস্পষ্ট হয়ে যাওয়ায় ফেরির মাস্টারদের পরিচালনায় অসুবিধা সৃষ্টি হয়। নৌ-দুর্ঘটনা এড়াতে কর্তৃপক্ষ রাত ৯টা ৪০ মিনিট থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ফেরি চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়। দৌলতদিয়া ঘাট শাখার সহ-ব্যবস্থাপক নুর আহাম্মেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ঘাটে ফেরির অবস্থান
ফেরি চলাচল বন্ধ থাকাকালে উভয় ঘাটে বেশ কয়েকটি ফেরি নোঙর করে রাখা হয়। পাটুরিয়া প্রান্তে ঘাট নং-৩-এ ‘শাহ মখদুম’ ও ‘বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর’ খালি অবস্থায় ছিল। ঘাট নং-৪-এ ‘ভাষা শহীদ বরকত’ খালি থাকলেও ‘শাহ পরান’ ফেরিটি পণ্য লোড অবস্থায় ছিল।
অন্যদিকে, দৌলতদিয়া প্রান্তে ঘাট নং-৩-এ ‘কুমিল্লা’ ফেরি খালি এবং ‘এনায়েতপুরী’ লোড অবস্থায় ছিল। এছাড়াও ঘাট নং-৪-এ ‘বাইগার’ এবং ঘাট নং-৭-এ ‘খান জাহান আলী’, ‘বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন’ ও ‘হাসনাহেনা’ খালি অবস্থায় নোঙর করে রাখা হয়। এ সময় মধ্য নদীতে কোনো ফেরি চলাচল করেনি।
ভোগান্তি ও পরিস্থিতি স্বাভাবিকীকরণ
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. সালাহউদ্দিন জানান, কুয়াশার তীব্রতা কমে এলে ও দৃষ্টিসীমা স্বাভাবিক হওয়ায় রাত ১১টা ৪০ মিনিটে ফেরি চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক ঘোষণা করা হয়। ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় উভয় ঘাটে যানবাহনের চাপ সৃষ্টি হয় এবং যাত্রী ও চালকদের সাময়িক ভোগান্তি দেখা দেয়। তবে চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় বর্তমানে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। বিআইডব্লিউটিসির আরিচা আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. সালাম হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।