নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জাহেদুল হাসান জানান, পরীক্ষার আওতায় রিয়্যাক্টর কনটেইনমেন্ট, অভ্যন্তরীণ বন্যা নিয়ন্ত্রণ, ফুয়েল পুল সেফটি ও স্বয়ংক্রিয় সেফটি সিস্টেমের কার্যকারিতা যাচাই করা হয়েছে।
ড. জাহেদুল হাসান বলেন, কনটেইনমেন্ট ও ওয়াটার ব্যারিয়ার নীতি অনুযায়ী উচ্চ প্রবাহ হার ও দীর্ঘমেয়াদি স্প্রিংকলার অপারেশনের ফলে পানি কোনোভাবেই বাহ্যিক পরিবেশে নির্গত হবে না এবং অভ্যন্তরীণ সুরক্ষা জোন অক্ষুণ্ণ থাকবে।
ফুয়েল পুল সেফটি পরীক্ষায় পানির স্তর নিয়ন্ত্রণ, তাপমাত্রা সীমা, কুলিং সিস্টেম ও ধারাবাহিক অপারেশন পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। স্বয়ংক্রিয় সেফটি ও কন্ট্রোল লজিক পরীক্ষা নিশ্চিত করেছে, কোনো মানব হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্প্রিংকলার, ভালভ, অ্যালার্ম ও মনিটরিং সিস্টেম পূর্বনির্ধারিত কন্ট্রোল অনুসারে কার্যকর।
পরীক্ষার সময় ব্যবহৃত পানির পরিমাণ, প্রবাহ হার ও নিষ্কাশন ব্যবস্থা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে, যাতে পরিবেশগত ঝুঁকি না তৈরি হয়। রিয়েল-টাইম ডাটা মনিটরিং ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে পুরো পরীক্ষাটি আন্তর্জাতিক পারমাণবিক নিরাপত্তা মান অনুযায়ী সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
ড. জাহেদুল হাসান জানান, এর আগে কোল্ড রান ও হট রান সম্পন্ন হওয়ার পর এই পরীক্ষা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কমিশনিং পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।