শিক্ষাব্যবস্থায় ভর্তির আবেদন ফি বাতিল
জামায়াতে ইসলামী তাদের নির্বাচনী ইশতেহারের শিক্ষাব্যবস্থা অংশের ১৯ নম্বর ধারায় স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, শিক্ষাকে সহজলভ্য ও সর্বজনীন করার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হবে। দেশের যেকোনো স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে—স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা বা বিশ্ববিদ্যালয়—ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য কোনো আবেদন ফি রাখা হবে না।
শিক্ষাব্যবস্থায় নতুন চারটি ধারা
ইশতেহারের শিক্ষাব্যবস্থা অংশের ৪২ নম্বর ধারায় শিক্ষাক্ষেত্রে একটি বড় ধরনের পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে। দলটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, অষ্টম শ্রেণির পর থেকে উচ্চমাধ্যমিক (Higher Secondary) পর্যন্ত শিক্ষাব্যবস্থাকে চারটি পৃথক ধারায় বিভক্ত করা হবে। এই চারটি ধারা হলো: ইসলামিক শিক্ষা, বিজ্ঞান শিক্ষা, সাধারণ শিক্ষা এবং কারিগরি শিক্ষা।
শিক্ষা বাজেট বৃদ্ধি ও কমিশন গঠন
শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর জন্য জামায়াত আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনার কথা ইশতেহারে তুলে ধরেছে। এর মধ্যে রয়েছে: দলটি ক্ষমতায় গেলে শিক্ষাবিদ ও গবেষকদের সমন্বয়ে একটি স্থায়ী শিক্ষা কমিশন গঠন করা হবে। এছাড়া, শিক্ষাবাবদ বাজেট বাড়িয়ে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৬ শতাংশ করার প্রতিশ্রুতিও ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
২৬টি অগ্রাধিকার ক্ষেত্র
উল্লেখ্য, সরকার পরিচালনায় জামায়াতে ইসলামী মোট ২৬টি অগ্রাধিকারমূলক বিষয় তাদের ইশতেহারে তুলে ধরেছে। এর মধ্যে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থার মানোন্নয়ন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।