পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র তার নাগরিকদের দ্রুত ইরান ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে। শুক্রবার ইরানে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ভার্চ্যুয়াল দূতাবাস এ সংক্রান্ত নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করে।
ওমানের মাস্কাটে প্রথম সরাসরি বৈঠক একই দিনে ওমানের মাস্কাটে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। গত গ্রীষ্মের ১২ দিনের সংঘাতের পর এটি দুই দেশের প্রথম সরাসরি আলোচনা। এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য ছিল পারমাণবিক চুক্তির বিষয়টি নিয়ে কথা বলা।
ওয়াশিংটনের কড়া অবস্থান ও সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত ওয়াশিংটন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, নতুন কোনো চুক্তি না হলে সামরিক পদক্ষেপের বিকল্প খোলা আছে। ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের ‘শূন্য পারমাণবিক সক্ষমতা’ নিশ্চিত করতে চায় এবং তারা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ধ্বংসের দাবি জানাচ্ছে। এই আলোচনায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থনের মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলোও উঠে আসতে পারে।
তেহরানের প্রতিক্রিয়া ও চীনের সমর্থন যুক্তরাষ্ট্রের এই অতিরিক্ত দাবির বিরুদ্ধে তেহরান আত্মরক্ষায় প্রস্তুত বলে ঘোষণা করেছে, তবে একইসাথে তারা কূটনৈতিক পথ বন্ধ করতে চায় না। এই পরিস্থিতিতে ইরানকে সমর্থন জানিয়েছে তাদের মিত্র দেশ চীন।
ইরানের আশপাশে বাড়ছে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি এই উত্তেজনাপূর্ণ আলোচনার মাঝেই ইরানের আশপাশে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে। সামরিক শক্তির এই বৃদ্ধি সামগ্রিক পরিস্থিতিকে আরও বেশি সংবেদনশীল করে তুলেছে। উভয় পক্ষের কঠোর অবস্থান ও সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধির ফলে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা কতদূর সফল হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।