ব্যাটিং বিপর্যয়ে ভারত
টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক শর্মা ওপেনিংয়ে নামেন ইশান কিষাণের সঙ্গে। প্রত্যাশা ছিল, মারকুটে এই ব্যাটার চমক দেখাবেন, কিন্তু উল্টো চমক দেখাল যুক্তরাষ্ট্র। আলী খানের বলে শূন্য রানে (গোল্ডেন ডাক) ফেরেন অভিষেক। এরপর পাওয়ার প্লে-তেই আরও তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে ভারত। ষষ্ঠ ওভারে তাদের স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ৪৬ রান। সব টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে এটি ষষ্ঠবারের মতো এবং বিশ্বকাপে দ্বিতীয়বারের মতো ভারত পাওয়ার প্লে-তে চার উইকেট হারাল। শ্যাডলি ফন শ্যালকভিক এই ওভারে কিষাণ (২০), তিলক ভার্মা (২৫) এবং শিবম দুবেকে (০) ফিরিয়ে ভারতকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেন।
সহযোগী দেশের বিপক্ষে লজ্জার রেকর্ড
পাওয়ার প্লের পর ইনিংসের গতি ফেরাতে পারেননি রিংকু সিং (৬) এবং হার্দিক পান্ডিয়াও (৫)। ফলে ৭৭ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে টি-টোয়েন্টিতে একটি অবাঞ্ছিত রেকর্ডে নাম লেখায় ভারত। সহযোগী দেশের বিপক্ষে এত কম রানে ষষ্ঠ উইকেট হারানোর নজির এই প্রথম।
সূর্যকুমারের ঝলক ও রেকর্ড
এমন বিপর্যয়ে দলের হাল ধরেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। অক্ষর প্যাটেলকে (১৪) সাথে নিয়ে ২৪ বলে ৪১ রানের জুটি গড়েন তিনি। একপ্রান্ত ধরে রেখে দ্রুত গতিতে রান তোলেন সূর্য। ১৮তম ওভারে ৩৬ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি। শেষ দুই ওভারে তিন চার ও তিন ছক্কায় ৩৩ রান যোগ হয়। সূর্যকুমার যাদব ৪৯ বলে ১০টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৮৪ রানে অপরাজিত থাকেন। এটি অধিনায়ক হিসেবে বিশ্বকাপে অভিষেক ইনিংসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান। এই তালিকায় শীর্ষে আছেন ক্রিস গেইল (৮৮)। তাঁর নেতৃত্বেই ভারত ৯ উইকেটে ১৬১ রান করে।
বোলিংয়ের আলোচিত মুহূর্ত
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে শ্যাডলি ফন শ্যালকভিক ৪ ওভারে মাত্র ২৫ রান খরচ করে ৪টি উইকেট শিকার করেন। সহযোগী দেশের বোলার হিসেবে পূর্ণ সদস্য দেশের বিপক্ষে এক ওভারে তিন উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েন তিনি। অন্যদিকে, আমেরিকার বোলার সৌরভ নেত্রাভালকার ৪ ওভারে ৬৫ রান খরচ করে উইকেটশূন্য থাকেন, যা বিশ্বকাপে সবচেয়ে খরুচে বোলিংয়ের নতুন রেকর্ড। তিনি পেছনে ফেলেন ২০০৭ সালে সনাথ জয়াসুরিয়ার ৬৪ রানের রেকর্ড।