তার বোলিং নৈপুণ্যে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। কিউইদের ৭ উইকেটে হারিয়ে গ্রুপ ‘ডি’র শীর্ষস্থান প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেছে এইডেন মারক্রামের দল। সোমবার সংযুক্ত আমিরাত আফগানিস্তানকে হারাতে ব্যর্থ হলে প্রোটিয়ারা সুপার এইট নিশ্চিত করবে।
শক্তির দিক থেকে প্রায় সমানে সমান দুই দল। ‘গ্রুপ অব ডেথ’ হিসেবে খ্যাত গ্রুপটাতে আফগানিস্তানকে টপকে আসার পর দুই দলই খোলামেলা মানসিকতায় ব্যাটিং করেছে। আহমেদাবাদে টস হারলেও শুরু থেকেই দক্ষিণ আফ্রিকার ওপর চড়াও হয়ে খেলেছে নিউজিল্যান্ড। ৩.১ ওভারে বিনা উইকেটে তুলে ফেলে ৩৩ রান। ৫.১ ওভারে ১ উইকেটে স্কোর ছিল ৫৭, আর ১৩.৫ ওভারে ৪ উইকেটে ১৩৮।
কিন্তু যতবারই কিউইরা ছন্দ নিয়ে ব্যাট করতে গেছে প্রতিবার নিউজিল্যান্ডকে থামিয়ে দিয়েছেন ইয়ানসেন। টপের তিনটি উইকেট নিয়েছেন তিনি। দারুণ খেলতে থাকা ফিন অ্যালেনের (৩১) পাশাপাশি ঝড়ো ব্যাটিং করতে থাকা মার্ক চ্যাপম্যানকেও (৪৮) সাজঘরে পাঠিয়েছেন। যার ফলে শেষ ৩৭ বলে আসে মাত্র ৩৭ রান। চ্যাপম্যানের ২৬ বলের ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ২টি ছক্কা। ড্যারিল মিচেলের ব্যাট থেকে ২৪ বলে আসে ৩২। তাছাড়া ১৫ বলে ২৩ রানে অপরাজিত থাকেন নিশাম। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটে ১৭৫ রান তুলেছে নিউজিল্যান্ড।
৪০ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ইয়ানসেন ছিলেন সেরা বোলার।
জবাবে ৪৪ বলে ৮৬ রানের ঝড়ো ইনিংসে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন এইডেন মারক্রাম। জয়ের মুহূর্তে হাতে ছিল ১৭ বল। উদ্বোধনী জুটিতে কুইন্টন ডি কক ও মারক্রাম যোগ করেন ৬২ রান। ডি কক ২০ রানে ফিরলে ভাঙে জুটি। তার পর ঝড়ো গতিতে খেলে ২১ রানে ফেরেন রায়ান রিকেলটন ও ডেওয়াল্ড ব্রেভিস। তবে প্রান্ত আগলে দাপুটে ব্যাটিংটা করেন মারক্রাম। ১৯ বলে তুলে নেন ফিফটি। সঙ্গে ডেভিড মিলার ১৭ বলে ১ চার ও ১ ছক্কায় ২৪ রানে অপরাজিত থেকে দাপুটে জয়ে অবদান রেখেছেন। মারক্রামের ইনিংসে ছিল ৮টি চার ও ৪টি ছয়।