Crowdfunding-এ নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আমার বাংলাদেশ (AB Party) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ (Barrister Asaduzzaman Fuad)। তিনি তার নির্বাচনের খরচের জন্য ভোটার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছ থেকে মাত্র ৩ দিনে মোট ৩৯ লাখ ৬৬ হাজার ৫৫৬ টাকা আর্থিক সহযোগিতা পেয়েছেন। নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহে Crowdfunding-এর এই সাফল্য রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ব্যয়সীমা অতিক্রম ও অনুদানের বিবরণ
ব্যারিস্টার ফুয়াদ বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে তার Facebook Page-এ এই বিপুল পরিমাণ অনুদানের তথ্য জানিয়েছেন।
সংগৃহীত অর্থের উৎস: ৭ জানুয়ারি রাত পর্যন্ত তিনি বিকাশে ১৯ লাখ ২৩ হাজার ৫৫২ টাকা, নগদ ২ লাখ ৩৫ হাজার ৫৬ টাকা এবং ব্যাংক হিসাবে ১৮ লাখ ৭ হাজার ৯৪৮ টাকা পেয়েছেন।
নির্বাচনী ব্যয়সীমা: তার নির্বাচনী আসন মুলাদী ও বাবুগঞ্জ উপজেলায় ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩২ হাজার ১০১ জন। নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) বিধিমালা অনুযায়ী, জনপ্রতি ১০ টাকা হিসেবে তার খরচের সীমা হলো ৩৩ লাখ ২১ হাজার ১০ টাকা। অর্থাৎ, তিনি ইতিমধ্যেই নির্বাচনী ব্যয়সীমা অতিক্রম করেছেন।
স্বচ্ছতা ও আইনি পরামর্শের অঙ্গীকার
ব্যারিস্টার ফুয়াদ দেশ ও বিদেশ থেকে যারা টাকা পাঠিয়েছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। অতিরিক্ত অনুদানের বিষয়ে তিনি পূর্ণ স্বচ্ছতার (Full Transparency) অঙ্গীকার করেন:
ইসি-র পরামর্শ: তিনি জানান, অতিরিক্ত অনুদানের ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের পরামর্শ মোতাবেক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
নিরীক্ষার আমন্ত্রণ: স্বচ্ছতার স্বার্থে অনুদান সংক্রান্ত সব কাগজপত্র নির্বাচনের দিন পর্যন্ত নিরীক্ষা করে প্রকাশ করা হবে এবং নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশন বা সরকারের অন্য যে কোনো আর্থিক নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান নিরীক্ষা করতে চাইলে তিনি সর্বাত্মক সহযোগিতা করার ঘোষণা দেন।
এই প্রক্রিয়াটি নির্বাচনী প্রচারণায় Financial Transparency এবং জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণের একটি উদাহরণ সৃষ্টি করল।