সংঘর্ষের সূত্রপাত ও আহতদের পরিচয় বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। আহত শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গির আলম ও মো. ওমর ফারুক, লোক-প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আশরাফ সিদ্দিকী এবং প্রভাষক আব্দুল বাসিত। এছাড়াও দুই বিভাগের অন্তত ১৫ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ ও ঘটনার কারণ প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, খেলার শুরু থেকেই মাঠে এক ধরনের উত্তেজনা বিরাজ করছিল। একপর্যায়ে স্লেজিংকে (Slanging) কেন্দ্র করে লোক-প্রশাসন বিভাগের খেলোয়াড়দের সঙ্গে বাংলা বিভাগের দর্শকদের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উঠলে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
শিক্ষকদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রশাসনের বক্তব্য সংঘর্ষের সময় কয়েকজন শিক্ষকের গায়ে হাত তোলার মতো ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে বলে জানান ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক মো. এছাক মিয়া। তিনি কালবেলাকে বলেন, “শিক্ষকদের গায়ে ছাত্ররা হাত তুলেছে, এই খেলা তো দরকার নাই আমাদের। এই ঘটনার যত দ্রুত সম্ভব শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।”
দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. মোখলেছুর রহমান সংঘর্ষের ঘটনাটিকে 'মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়া' হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, আহতদের চিকিৎসার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং দুজন শিক্ষার্থীকে দুটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “ন্যায্যতার ভিত্তিতে বিচার করা হবে। কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।”