স্কুলজীবনের স্মৃতি: চিত্রনায়িকা প্রার্থনা ফারদিন দীঘি বলেন, “যখন স্কুলে পড়তাম, তখন ভ্যালেন্টাইন ডেতে বন্ধুদের কার্ড দেওয়া, ফুল দেওয়া—এসব প্রচুর হতো। খুব আনন্দ করতাম।” তিনি জানান, তখন এই দিনটি নিয়ে এক ধরণের উন্মাদনা ছিল।
এখনকার ব্যস্ততা: তবে বড় হওয়ার পর সেই সুযোগ আর পান না দীঘি। কাজের ব্যস্ততাই এখন তাঁর প্রধান সঙ্গী। তিনি আরও বলেন, “তবে এখন যেহেতু বড় হয়ে গেছি, তাই কাজ করাটাই বেশি হয়। এবারও ভ্যালেন্টাইনে শুটিংয়ের প্ল্যান আছে। আর কাজ না থাকলে জ্যামের ভয়ে বাসাতেই থাকি।”
অনুষ্ঠানে দীঘি: শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডিতে চীনা লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড 'মুমুসো'র দ্বিতীয় শোরুম উদ্বোধন করতে গিয়ে এসব কথা বলেন দীঘি। ফিতা কেটে জমকালো এই আয়োজনের সূচনা করেন তিনি। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরাফাত রহমান।
দীঘি আরও জানান, প্রিয় মানুষকে উপহার দেওয়ার মতো দারুণ সব কালেকশন এই শোরুমে রয়েছে। সে কারণে তিনি এই অনুষ্ঠানে এসেছেন। পরিবার ও নিজের জন্য তিনি এখান থেকে স্কিনকেয়ার, ফ্যাশন ও হোম অ্যাক্সেসরিজ কেনার পরিকল্পনাও করেন।
চলচ্চিত্র পরিবারে বেড়ে ওঠা: প্রার্থনা ফারদিন দীঘি চলচ্চিত্র পরিবারের সন্তান। সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তাঁর বেড়ে ওঠা। বাবা সুব্রত বড়ুয়া ও মা প্রয়াত চলচ্চিত্র অভিনেত্রী দোয়েলের একমাত্র মেয়ে তিনি। মাত্র শিশুশিল্পী হিসেবে কাজ শুরু করেই তিনি দর্শকের মন জয় করেন। কাজী হায়াৎ পরিচালিত 'কাবুলিওয়ালা' ছবিতে অভিনয় করে ২০০৬ সালে 'শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী' হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন দীঘি। এছাড়া 'দাদীমা', 'চাচ্চু', 'বাবা আমার বাবা', '১ টাকার বউ' ও 'অবুঝ শিশু'-এর মতো চলচ্চিত্রেও তিনি অভিনয় করে দর্শকপ্রিয়তা পান। বর্তমানে তিনি অভিনয় থেকে কিছুটা দূরে আছেন।