কিউইরা জিতেছে ১০ উইকেটের ব্যবধানে।
চেন্নাইয়ে ১৭৪ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে টিম সেইফার্ট ও ফিন অ্যালেনের উদ্বোধনী জুটি ১৫.২ ওভারে জয় নিশ্চিত করেছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যে কোনও উইকেটে এটি রেকর্ড জুটির নজির। খেলতে নেমে দুই ওপেনার বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে আমিরাতের বোলারদের ওপর তাণ্ডব চালিয়েছেন। সেইফার্ট ৪২ বলে ১২টি চার ও ৩ ছক্কায় খেলেছেন ৮৯ রানের অপরাজিত ইনিংস। তিনি ফিফটি পূরণ করেন ২৩ বলে। অ্যালেন ৫০ বলে ৫টি চার ও ৫ ছক্কায় ৮৪ রানে অপরাজিত থাকেন। পাওয়ার প্লেতেই দুজনে তুলে ফেলে ৭৮ রান!
২০২৪ সালের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পায়নি আমিরাত। ভারত সফরে আসা তাদের স্কোয়াডটিও বেশ অনভিজ্ঞ। ২০২২ সালের বিশ্বকাপ দলে থাকা মাত্র তিনজন খেলোয়াড় এবার জায়গা পেয়েছেন। শুরুতে টস জিতে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ১৭৩ রান তুলতে পারে তারা। দলের এই সংগ্রহের পেছনে বড় অবদান ছিল অধিনায়ক মোহাম্মদ ওয়াসিমের। ৪৫ বলে অপরাজিত ৬৬ রান করেন তিনি। তাতে ছিল ৪টি চার ও ৩টি ছক্কা।
দ্বিতীয় ওভারে প্রথম উইকেট হারালেও দ্রুত ঘুরে দাঁড়ায় তারা। অধিনায়ক ওয়াসিম ও আলিশান শরাফু দ্বিতীয় উইকেটে গড়েন ১০৭ রানের জুটি। শরাফু ৪৭ বলে ৫৫ রানে ফিরলে ভাঙে জুটি। তাতে ছিল ৫টি চার ও ২টি ছয়। শরাফু যখন আউট হন, ১৪.২ ওভারে দলটির স্কোর ছিল ২ উইকেটে ১১৯ রান। এর কিছুক্ষণ পর আরেকটি উইকেট হারালেও ওয়াসিম ব্যাট হাতে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন। তার ব্যাটেই সমৃদ্ধ হয় স্কোরবোর্ড।
কিউইদের হয়ে ৩৭ রানে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন ম্যাট হেনরি।