বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জু। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় তিনি এই ভ্রাতৃত্বপূর্ণ শুভেচ্ছা জানান।
বাংলাদেশকে অনন্য উচ্চতায় দেখার প্রত্যাশা প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু তার বার্তায় উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের ইতিহাসের এই মাহেন্দ্রক্ষণ স্বাধীনতা ও ভবিষ্যতের নতুন আশার প্রতিফলন ঘটায়। তিনি বলেন, "মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আমি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ সে দেশের সরকার এবং বন্ধুত্বপূর্ণ জনগণকে উষ্ণ অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, স্বাধীনতার এই গৌরবোজ্জ্বল উদযাপন বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিককে দেশের অব্যাহত উন্নতি ও সমৃদ্ধির পথে সচেষ্ট হতে নতুন প্রেরণা যোগাবে।"
বিশ্বস্ত প্রতিবেশী ও উন্নয়ন অংশীদার দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান Diplomatic Ties এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট বলেন, মালদ্বীপ বাংলাদেশকে সবসময়ই একজন 'বিশ্বস্ত প্রতিবেশী' এবং গুরুত্বপূর্ণ 'Development Partner' হিসেবে বিবেচনা করে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘকাল ধরে দুই দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে বিরাজমান গভীর সম্পর্ক এবং পারস্পরিক আদান-প্রদানই এই অংশীদারিত্বের মূল ভিত্তি। আগামী দিনে এই Strategic Partnership আরও শক্তিশালী হবে এবং উভয় দেশের পারস্পরিক অগ্রগতিতে সহায়ক হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের প্রতি শ্রদ্ধা আজ ২৬ মার্চ, বাংলাদেশের ৫৬তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে দীর্ঘ শোষণ ও বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কবল থেকে দেশমাতৃকাকে মুক্ত করার সশস্ত্র ডাক এসেছিল। এই দিনটি বাঙালির আত্মপরিচয় এবং বীরত্বের এক অনন্য স্মারক। ইতিহাসের এই গৌরবময় অধ্যায় রচনার ৫৪ বছর পূর্ণ করে বাংলাদেশ আজ উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে ধাবমান।
মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের এই শুভেচ্ছা বার্তাকে দুই দেশের বিদ্যমান সুসম্পর্কের প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে দক্ষিণ এশীয় রাজনীতিতে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও সংহতি বজায় রাখতে মালদ্বীপ ও বাংলাদেশের এই নিবিড় বন্ধুত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।