মঙ্গলবার পেন্টাগনে সংবাদ সম্মেলনে হেগসেথ বলেন, ‘আমাদের কাজ হলো নিশ্চিত করা যে আমরা ইরানকে বোঝাতে পারি, বর্তমান শাসকগোষ্ঠী এই চুক্তি করলে তারা ভালো অবস্থানে থাকবে। আমরা একসঙ্গে কাজ করছি, কিন্তু মূল প্রচেষ্টা হলো চুক্তি করা।
আমরা চাই এই চুক্তি সম্ভব হলে সম্পন্ন হোক, না হলে আমরা প্রস্তুত থাকতে চাই কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার জন্য। ’ হেগসেথ আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ইরানে সম্পন্ন হলে এবং যখন আমেরিকান জনগণের স্বার্থে চুক্তি করা প্রয়োজন, তখন তা চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করবেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
একই সংবাদ সম্মেলনে হেগসেথ স্বীকার করেছেন যে প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সেনা, জাহাজ ও বিমানের অবস্থান সম্পর্কিত তথ্য ইরানকে সরবরাহ করছে, যুক্তরাষ্ট্র সে সম্পর্কে সচেতন।
তিনি বলেন, কিছু শত্রু দেশ এমন কিছু করছে, যা তাদের করা উচিত নয়। আমরা তা জানি এবং অবশেষে আমাদের সম্পদগুলো সরাতে হয়।
এক বড় নীতি যা সামরিক শিক্ষা দেয়, তা হলো কোনো প্যাটার্ন স্থাপন না করা, পূর্বানুমানযোগ্য না হওয়া। তাই কমান্ডাররা সিস্টেমগুলো সঠিক জায়গায় রাখার জন্য বাস্তব সময়ে সমন্বয় করছেন, যাতে সহজে লক্ষ্যবস্তু না হয়। সিএনএন এই মাসের শুরুতে রিপোর্ট করেছে, রাশিয়া ইরানকে মার্কিন সেনা, জাহাজ ও বিমানগুলোর অবস্থান ও চলাচলের তথ্য দিয়ে সাহায্য করছে। সূত্র জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তথ্য আছে যে চীনও ইরানকে আর্থিক সহায়তা, যন্ত্রাংশ এবং ক্ষেপণাস্ত্র উপাদান সরবরাহের প্রস্তুতি নিচ্ছে।